Home Privacy Policy Disclaimer Sitemap Contact About
শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

একুশে আগস্ট মঞ্চে গ্রেনেড ছোড়েন জঙ্গি ইকবাল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩১ আপডেট পোস্ট

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইকবাল হোসেন ওরফে ইকবাল ওরফে জাহাঙ্গীর ওরফে সেলিমকে (৪৭) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। হামলার সময় সরাসরি সমাবেশের মঞ্চ উদ্দেশ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছিলেন তিনি।

গ্রেনেড হামলার ১৬ বছর এবং আদালতের রায়ের তিন বছর পর মঙ্গলবার ইকবালকে ঢাকার দিয়াবাড়ি থেকে গ্রেফতারের কথা জানানো হয় র্যাবের পক্ষ থেকে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

গ্রেফতার পলাতক জঙ্গি ইকবালকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ডিজি বলেন, এইচএসসি পাস ইকবাল স্কুল-কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ইকবাল ১৯৯৪ সালে ঝিনাইদহ কেসি কলেজের ছাত্র সংসদে ছাত্রদলের নির্বাচিত শ্রেণি প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত কর্মজীবী হিসেবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করেন

দেশে ফিরে ইকবাল আইএসডি ফোন ও অন্য ব্যবসা শুরু করেন। এসময় সর্বহারা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে কোন্দলে জড়িয়ে যান। ২০০১ সালে স্থানীয় এক জঙ্গি সদস্যের মাধ্যমে তিনি হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশে (হুজিবি) যোগ দেন। ২০০৩ সালে হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ শীর্ষ নেতাদের সান্নিধ্যে এসে প্রশিক্ষণ নিতে থাকেন। ২০০৪ সালে মুফতি হান্নানের নির্দেশে ঢাকায় আসেন এবং গোপন আস্তানায় অবস্থান করেন।

ইকবাল জবানবন্দির বরাত দিয়ে র্যাব প্রধান বলেন, মুফতি হান্নানের নির্দেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সরাসরি অংশ নেন। মুফতি হান্নান তাকে গ্রেনেড সরবরাহ করেছিল। ইকবাল মঞ্চ লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়েছিল।

ঘটনার পর জঙ্গি ইকবালকে গ্রেফতার করতে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে তাকে গ্রেফতারে ঝিনাইদহের নিজবাড়ি, গাজীপুর, সাভারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। আত্মগোপনে থাকাকালীন ইকবাল নিরাপত্তাকর্মী, শ্রমিক, রিকশা মেকানিক হিসেবে ছদ্মবেশে জীবনযাপন করেন। তাকে গ্রেফতারে ধারাবাহিক অভিযানের একপর্যায়ে প্রবাসে পাড়ি জমান। ২০২০ সালের শেষের দিকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে তাকে দেশে পাঠানো হয়।

এনএসআই এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখা জঙ্গি ইকবালের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় জঙ্গি ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়।

এতো গুরুত্বপূর্ণ একজন আসামি কীভাবে বিদেশে পাড়িড়ি জমান জানতে চাইলে র‌্যাব প্রধান বলেন, আমরা ধারণা করছি ২০০৮ সালে ম্যানুয়াল পাসপোর্টের সুযোগে ভিন্ননামে দেশ ছেড়েছিলেন তিনি। বিদেশে গিয়েও তিনি দু’বার নাম পরিরিবর্তন করেন।

এই খবর শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন Tmnews71

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved www.tmnews71.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-tmnews71