Home Privacy Policy Disclaimer Sitemap Contact About
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
গলাচিপায় কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সফলতার দুয়ারে কৃষিপ্রেমী পাবেল নলকূপের পাইপ দিয়ে অনবরত বের হচ্ছে গ্যাস মামুনুল হককে গ্রেপ্তার: ফেসবুকে জিহাদের আহ্বান করায় যুবক গ্রেপ্তার ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, হেফাজত কর্মী আটক ময়মনসিংহে দিনে-দুপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা কী পরিণতি হলো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই যুবকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত নেতাদের বৈঠক শেষ সিঙ্গাপুরগামী বিমানের বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ছে আজ বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা মেয়র আনোয়ারের উদ্যোগে কুয়াকাটার পরিত্যক্ত জলাশয় কে দৃষ্টি নন্দন লেক পার্কে রুপান্তর

বিয়েই মামুনের নেশা, নববধূকে ছেড়ে দ্বিতীয় বিয়ে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৩ আপডেট পোস্ট

৪ বছরের প্রেম সিলেটের মামুন-হাবিবার। যার পূর্ণতা পায় গত বছরের ২৫শে সেপ্টেম্বর। পারিবারিকভাবেই কাবিন ও আক্দ শেষ হয় তাদের। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ঘর করার স্বপ্ন পূরণ হলো না হাবিবার। হাবিবাকে ছেড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে মামুন।

উপায় না পেয়ে শাহপরাণ থানায় এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন হাবিবা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে হাবিবার ভাসুর সুজনকে। হাবিবার দাবি- মামুন প্রেমের অভিনয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছে। একাধিক নারীর সঙ্গে আগেও তার প্রেম-বিয়ে ছিল মামুনের। বিয়ে করাই হচ্ছে মামুনের নেশা।

২০ বছর বয়সী হাবিবা আক্তারের বাড়ি শহরতলীর মেজরটিলা সৈয়দপুরে। মাকে নিয়ে সে ওখানে বসবাস করে। পৈত্তিক বাড়ি গোলাপগঞ্জে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল সে। মামুনের পুরো নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন।সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের কাজী সালাউদ্দিন কামাল জানান, উভয় পরিবারের সম্মতিতে আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। কাবিনে বর-কনে এবং আত্মীয়-স্বজনের সাক্ষর রয়েছে।

এদিকে বিয়ের কিছুদিন পর নানাভাবে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে মামুন। এমনকি টাকা না দেয়ায় হাবিবাকে সে একাধিক বার নির্যাতন করে। এসব ঘটনায় নিয়ে মামুন ও হাবিবার সংসারে তিক্ততার সৃষ্টি হয়। তবে- হাবিবা কিংবা তার পরিবার সেটি জটিল পর্যায়ে নেননি। এদিকে- মামুনের কথামতো হাবিবার বোন রোজিনা বেগম তাদেরকে ২ লাখ টাকার ফার্নিচার প্রদান করেন। হাবিবার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মামুনের চাহিদামতো আরো আড়াইলাখ টাকা নগদ প্রদান করেন। এতেও মন গলেনি মামুনের। যৌতুকের আরো ৫ লাখ টাকার জন্য সে হাবিবাকে নির্যাতন করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার এসআই চন্দ্র শেখর বড়ুয়া জানিয়েছেন, মামলার পর আসামি সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর প্রধান আসামি মামুনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এই খবর শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন Tmnews71

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved www.tmnews71.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-tmnews71