Home Privacy Policy Disclaimer Sitemap Contact About
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

লিবিয়ায় মাফিয়ার হাতে বন্দী মাদারীপুরের ২৪ যুবক, ভিডিও পাঠিয়ে টাকা দাবি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১
  • ৩৫ আপডেট পোস্ট

দীর্ঘদিন থেকেই বিদেশে বেশি বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছে দেশের বেশ কিছু দালাল চক্র। সমুদ্র পথে পাড়ি জমাতে গিয়ে অনেককেই জীবন দিতে হয়। অনেকেই আবার চড়াই উতরাই পেরিয়ে হয়তোবা বিদেশে পৌঁছায়। কেউ টিকেও যায়। কিন্তু অনেকেই পড়ে মাফিয়াদের হাতে। মুক্তিপনের টাক মিললে অনেকেই ছাড়া পান তবে বেশিরভাগকেই জীবন দিতে হয়।

দালালের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় মাফিয়াদের কাছে বন্দী জীবন কাটাচ্ছে মাদারীপুরের এ রকম ২৪ যুবক। দাবি তাদের একটাই টাকা। বন্দিদের পরিবারের কাছে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে লাখ লাখ টাকা দাবি করছে মাফিয়ারা।

গতকাল বুধবার মাফিয়াদের পাঠানো নির্যাতনের একটি ভিডিও চিত্র গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মাফিয়ারা বেশ কয়েকজনকে পিটিয়ে তাদের পরিবারের কাছে বলতে বাধ্য করছে, টাকা না দিলে তাদের মেরে ফেলা হবে। এতে পরিবারের লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ,মাদারীপুর সদর উপজেলার চাষার গ্রামের বাসিন্দা জাহিদ খান ইউছুফ এলাকার পরিচিত দালাল। ৪ থেকে ৫ বছর যাবৎ তিনি মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তার মাধ্যমে প্রায় ৩০০ যুবক লিবিয়ার পথে পাড়ি জমিয়েছেন। যার বেশির ভাগ সাগর পথ পাড়ি দিয়ে ইতালি পাড়ি দিয়েছে। এ সব লোকজন পাঠাতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করে। জাহিদ খানের কাজ হলো মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের সংগ্রহ করা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রত্যেকের সাথে জাহিদ খানের ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়। রুট হিসেবে তারা ব্যবহার করেছেন ঢাকা টু লিবিয়া তারপর সেখান থেকে ‘গেম করে’ ইতালি। সর্বশেষ তার মাধ্যমে যাওয়া ২৪ জন যুবক লিবিয়ার মাফিয়াদের হাতে আটক রয়েছে। এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতে পারছে না।

মাফিয়ার কাছে আটক হিফজু হাওলাদারের বাবা হাবু হাওলাদার বাবা এই প্রতিবেদককে বলেন, গত সোমবার তারা ভিডিওটি পেলেও ছেলের ক্ষতি হবে এই ভয়ে কাউকে জানাননি।

মানবপাচারকারী জাহিদ খান ইউসুফের কাছে মোবাইল ফোনে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি কোনো লোক পাঠাই নাই। এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবর রহমান মৃধা এ বিষয়ে বলেন, আমি জাহিদকে চিনি। তবে সে মানবপাচারের সাথে জড়িত তা জানা ছিল না। আমার ইউনিয়নের কিছু লোকসহ মাদারীপুরের ২৪ জন লিবিয়ায় মাফিয়ার কাছে বন্দী থাকার বিষয়েও আমি অবগত না।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, আমরা এই সংবাদটি শুনেছি। আমি তদন্ত অফিসারকে চাষার গ্রামে পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সূত্র: দেশ রূপান্তর।

এই খবর শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন Tmnews71

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved www.tmnews71.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-tmnews71