Home Privacy Policy Disclaimer Sitemap Contact About
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
আওয়ামী লীগ কোন হুমকি কে ভয় পায় না, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠিত হবেই ধর্ষিতাকে ধর্ষণকারীর হুমকি, পুলিশের কাছে গেলে মাথা আর দেহ দুভাগ করে দিব গলাচিপায় জোর পূর্বক ধান কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৬ বরকত উল্লাহ বুলুর আরোগ্য কামনায় মনিরামপুর যুবদলের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের. লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা আজ। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, এফএম ডাঃ মোমেনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন গোলখালী ইউনিয়নবাসীর স্বপ্ন পূরণে কাওসার তালুকদারের বিকল্প কে? কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে একটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ জন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের নতুন রেকর্ড

গলাচিপায় বর্ষা মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮৪ আপডেট পোস্ট

 

পটুয়াখালীর গলাচিপায় বর্ষা মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলনে খরচের বিশ গুন লাভের স্বপ্ন দেখছেন তরমুজ চাষী মো. জাহাঙ্গীর ফরাজী। উপজেলার গ্রামর্দ্দন গ্রামে ২০ শতক জমিতে মাত্র ২০ হাজার টাকা খরচ করে নানা প্রতিকুলতার মধ্যে দিয়েও তিনি সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে তরমুজের এরকম বাম্পার ফলন ফলাতে সক্ষম হয়েছেন।

এতে তিনি ৪ লাখ টাকার উপরে লাভের আশা করছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার রতনদি তালতলী ইউনিয়নের গ্রামর্দ্দন গ্রামের আব্দুল মজিদ ফরাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর ফরাজী তার ২০ শতক জমিতে মাটির বেড তৈরি করে তরমুজের বীজ বপন করেছেন। মাটির বেডের উপরে কট সূতার জাল দিয়ে মাঁচা তৈরি করে দিয়েছেন যাতে তরমুজ গাছের লতা মাঁচার উপরে বাড়তে পারে।

মাঁচার সাহায্যে বেড়ে ওঠা শূন্যে ঝুলে থাকা প্রতিটি তরমুজ আবার বাজারের নেট জালি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। প্রতিটি তরমুজের ওজন হবে ৭-৮ কেজি। প্রতিদিন ওই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সের লোকজন জাহাঙ্গীর ফরাজীর তরমুজ ক্ষেত দেখতে এসে ভিড় করেন। এতে অনেকেই তরমুজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ফলে আগামী বছরে এ অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে তরমুজের চাষ বেড়ে যাবে বলে অনেকেই ধারনা করছেন।

তরমুজ চাষী জাহাঙ্গীর ফরাজী জানান, তরমুজ চাষে তার ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আষাঢ় মাসের প্রথম দিকে তিনি তরমুজের চাষ শুরু করেন। আশি^ন মাসের প্রথম দিকে তিনি ১ হাজার পিস বড় তরমুজে জালি বেঁধেছেন। ৬০ টাকা কেজি দরে প্রতিটি তরমুজের বাজার মূল্য হবে ৪২০ থেকে ৪৮০ টাকা। ওই হিসেবে কম হলেও তার তরমুজ বিক্রিতে ৪ লাখ টাকার উপরে লাভ হবে। এমনটাই আশা করছেন তিনি। জাহাঙ্গীর ফরাজী বলেন, “বর্ষা মৌসুমে তরমুজের এমন বাম্পার ফলন হইবে আমি ভাবতেও পারি নাই। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আমি সফলতা পাইছি। আগামী ১৫ দিন পরে ক্ষেতের সব তরমুজ বাজারে বিক্রি করা যাইবে।” এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস.আর.এম সাইফুল্লাহ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে জাহাঙ্গীর একটি ভাল উদ্যোগ নিয়েছেন।

একাধিকবার তার তরমুজ ক্ষেত আমি পরিদর্শন করেছি। বর্ষা মৌসুমে জাহাঙ্গীরের মত অন্য কৃষকদেরকেও তরমুজ চাষে উৎসাহিত করা হবে। জাহাঙ্গীরকে নানা ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুগোপযোগী চাষী তৈরি করা হবে।’

 

এই খবর শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন Tmnews71

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর tmnews71
© All rights reserved www.tmnews71.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-tmnews71